Uddokta.com

উদ্যোগের আদ্যোপান্ত

কেন আপনি উদ্যোক্তা হবেন? উদ্যোক্তা হওয়ার ১১ টি কারন

More Share, More Care!

উদ্যোক্তা হচ্ছে একটি স্বাধীন পেশা।, যে পেশার মধ্যে দিয়ে নিজের একটি পরিচয় তৈরি করা যায়। এবং বাধা ধরা নিয়ম এর বাইরে অনেক সুবিধা ভোগ করা সম্ভব। উদ্যোক্তারা সাধারণত সৃজনশীল শক্তির অধিকারী হয়ে থাকে। আপনি যদি উদ্যোক্তা হতে চান তাহলে কেন আপনি উদ্যোক্তা হবেন? উদ্যোক্তা হওয়ার ১১ টি কারণ সম্পর্কে জেনে রাখা শ্রেয়। কারণ আপনি যদি নিজেই জানতে পারেন আপনি কেন উদ্যোক্তা হবেন তাহলে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে সাহায্য করবে। এছাড়া আপনি যদি উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনের কারণগুলো জানতে পারেন তাহলে উদ্যোক্তা হতে আপনাকে অনেক বেশি সহায়তা করবে।

বর্তমান যুগে চাকরির সমস্যা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করা বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ চাকরির পেছনে সময় নষ্ট না করে সেই সময়টি যদি আপনি একজন উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে কাজে লাগান এবং নিজেই নিজের কর্মসংস্থান তৈরি করেন তাহলে দেশের বেকারত্ব হ্রাস পাবে। তবে অবশ্যই আপনাকে উদ্যোক্তা হওয়ার কারণ গুলো সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে এবং সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সকল পন্থা অবলম্বন করতে হবে। তবেই আপনি একজন সাকসেস এন্টারপ্রেনিয়ার হতে পারবেন।

কেন আপনি উদ্যোক্তা হবেন?

আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়ার জন্য অথবা অর্থনৈতিক দিক থেকে নিজেকে সচ্ছল করার জন্য মানুষ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হয়ে থাকে। বিশেষ করে যে সকল ব্যক্তিবর্গ চাকরি করতে ইচ্ছুক নয় অর্থাৎ অন্যের অধীনস্ত হয়ে কাজ করার ইচ্ছুক নয় তারা মূলত তাদের সৃজনশীল শক্তি কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হতে পারেন। একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আপনার মধ্যে যে সকল গুনগুলো থাকা আবশ্যক, সেই সকল গুনগুলো সম্পর্কে জেনে উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব। এছাড়া আপনি কেন উদ্যোক্তা হবেন তার কিছু কারণ হচ্ছে-

  • নিজের পছন্দ অনুসারে কাজ সময়সূচী নির্ধারণ করতে পারবেন।
  • উদ্যোক্তা হিসেবে ঝুঁকি গ্রহণ করার ক্ষমতা অর্জন করতে পারবেন।
  • উদ্যোক্তা হিসেবে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার ক্ষমতা রাখতে পারবেন।
  • উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যবসায়ীর মূল লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য মনোবল অর্জন করতে পারবেন।
  • নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী শক্তি সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন।
  • কারিগরি দক্ষতা কাজে লাগাতে পারবেন।
  • আত্মবিশ্বাসের সাথে ব্যবসায় উদ্যোগ শুরু করার মধ্য দিয়ে নিজের একটি ক্যারিয়ার তৈরি করে নিতে পারবেন।
  • নিজের কর্মসংস্থান তৈরি করার পাশাপাশি অন্যের কর্মসংস্থান তৈরি করে দিতে পারবেন।
  • নিজের কারিগরি শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে অন্যকে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মমুখী হিসেবে তৈরি করে নিতে পারবেন।
  • উদ্যোক্তায় নিজেই নিজের সফলতা সফলতা উপভোগ করতে পারবেন এবং ব্যর্থতা হলে সে থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে নিতে পারবেন।
  • স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
  • নিজের মতামত ব্যক্ত করার সুযোগ পাবেন এবং সিদ্ধান্ত জানানোর সুযোগ পাবেন।

সুতরাং মূলত এ সফল কারণ গুলোর মধ্যে দিয়ে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি কেন উদ্যোক্তা হবেন।

উদ্যোক্তা হওয়ার কারন সমূহ

আপনি যখন বাধা ধরা নিয়মের কাজ হতে নিজেকে মুক্ত করার জন্য একটি স্বাধীন পেশা হিসেবে নিজেই উদ্যোক্তা হতে চাইছেন তখন অবশ্যই এই উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে কিছু কারণ থাকবে। যে সকল ব্যক্তিবর্গ উদ্যোক্তা হতে চান তাদের পেছনে অবশ্যই কিছু কারণ থাকে। আর এই কারণগুলোর মধ্যে যে সকল কারণগুলো একান্তই উল্লেখযোগ্য সেগুলো হচ্ছে-

১. নিজেই নিজের বস

উদ্যোক্তা হলে আপনি নিজেই নিজের বস হবেন। আপনার ওপরে কেউ বস থাকবে না এবং আপনাকে কেউ নেতৃত্বদান করার মত থাকবে না। মূলত অন্যের অধীনস্থ হয়ে কাজ করতে হবে না। উদ্যোক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে আপনি যদি একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন সে ক্ষেত্রে আপনি ওই প্রতিষ্ঠানের বস হিসেবে মূল ভূমিকা পালন করতে পারবেন। তাই উদ্যোক্তা নিজেই নিজের বস হয়।

২. নিজের কাজের নিজেই সময়সুচি নির্ধারণ

উদ্যোক্তা হলে কোন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা বাধা ধরা সময়ের মধ্যে কাজ করতে হয় না। তাই উদ্যোক্তা নিজেই নিজের কাজ নিজের সুবিধা মত সময় অনুসারে সম্পন্ন করে থাকে। তবে উদ্যোক্তা হলে যে নিজেই নিজের মতো করে কাজ সম্পন্ন করতে হবে এর কোন ভিত্তি নেই। যদি সফল উদ্যোক্তা হতে চান তাহলে অবশ্যই নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করতে হবে এবং লক্ষ্য অর্জনের জন্য সঠিক সময় সঠিক কাজটি করতে হবে।

৩. নিজের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ

একজন উদ্যোক্তাই পারে নিজের ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে। কারণ উদ্যোক্তা যদি তার কঠোর পরিশ্রম দিয়ে এবং নিজের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায় সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে তাহলে অবশ্যই সেই তার ব্যবসায় সংগঠন পরিচালনার মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করতে পারবে। এর ফলে উদ্যোক্তা একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পাবে। অন্যের বাধা ধরা নিয়ম অনুসারে কাজ না উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করার মধ্য দিয়ে উদ্যোক্তা নিজেই নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে। 

৪. পছন্দনীয় পণ্য নিয়ে কাজ করা বা বিক্রয় করা

একজন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা যখন একটি নির্দিষ্ট পণ্য বা সেবা নিয়ে কাজ করবে অথবা পূর্ণ বা সেবা বিক্রয় করবে, তখন অবশ্যই উদ্যোক্তাকে তার পছন্দ অনুসারে পণ্য বিক্রয় করতে হবে। কারণ উদ্যোক্তার যদি বিক্রয়কৃত পণ্যের প্রতি কোন আকর্ষণ না থাকে তাহলে ওই পণ্যের উপর বিক্রেতার কোন জ্ঞান থাকবে না। ফলে ব্যবহারকারীরা ওই পণ্যটি ক্রয় করবে না। তাই অবশ্যই উদ্যোক্তাকে পছন্দনীয় পণ্য নিয়ে কাজ করতে হবে এবং সে পণ্যের ওপর সঠিক ধারণা রাখতে হবে।

৫. উত্তরাধিকার তৈরি করা

একজন উদ্যোক্তায় পারবে উত্তরাধিকার তৈরি করতে। ব্যবসায় তৈরি করার জন্য মূল উপাদান হিসেবে যখন মূলধন ব্যবসায়ী বিনিয়োগ করা হয় তখন এর উত্তরাধিকার তৈরি হয়ে যায়। তাই একজন উদ্যোতায় পারে উত্তরাধিকার তৈরি করতে এবং ব্যবসায়ের মূলধন বিনিয়োগ করার মধ্য দিয়ে মুনাফা অর্জন করতে পারে।

৬. সৃজনশীল এবং উদ্ভাবক

উদ্যোক্তাকে অবশ্যই সৃজনশীল এবং উদ্ভাবক হতে হয়। কারণ একজন উদ্যোক্তার তার সৃজনশীল শক্তি এবং উদ্ভাবনীয় শক্তি ব্যবহার করে ব্যবসায় নিত্য নতুন আইডিয়া নিয়ে আসতে পারে। এবং ব্যতিক্রম পণ্য তৈরি করে ব্যবহারকারীদের নিকট পৌঁছে দিতে পারে। এছাড়া ব্যবসায়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে সৃজনশীল শক্তি ব্যবহার করে ব্যবসায়ের উন্নয়ন সাধন করতে পারে।

৭. নিজের একটি ব্র্যান্ড তৈরি করা

উদ্যোক্তা যখন একটি নির্দিষ্ট পণ্য নিয়ে কাজ করবে তখন অবশ্যই সেই পণ্য সম্পর্কে উদ্যোক্তার পূর্ণ ধারণা রাখতে হবে। এবং প্রতিনিয়ত সেই পণ্যটির মধ্যে আধুনিকতার ছোঁয়া নিয়ে আসতে হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট পণ্যটির আপডেট করতে হবে। এর ফলে পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং গ্রাহকের কাছে পরিচিতি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে এসেই পণ্যটি মধ্য দিয়ে একটি ব্র্যান্ড তৈরি করে নিতে হবে। আর এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারে শুধুমাত্র একজন উদ্যোক্তা। তাই উদ্যোক্তা নিজেই একটি ব্র্যান্ড।

৮. কর্মসংস্থান তৈরি করা

উদ্যোক্তা নিজেই আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করার মধ্য দিয়ে নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আরও অন্যান্য বেকারের কর্মসংস্থান তৈরি করে দিতে সক্ষম হয়। কারণ উদ্যোক্তা যখন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করবে তখন অবশ্যই তার ব্যবসায় পরিচালনা করার জন্য আরো অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের প্রয়োজন হবে। আর যারা এই তার ব্যবসায় কাজে সাহায্য করবে তারাই মূলত বেকারত্ব থেকে কর্মসংস্থান খুঁজে পাবে এবং উদ্যোগটা নিজের এবং অন্যদের কর্মসংস্থান এর সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।

৯. ব্যবসায়িক পরিবেশে নিজেকে রোল মডেল হিসেবে পরিবেশন করা

উদ্যোক্তা ব্যবসায়িক পরিবেশে নিজেই একজন রোল মডেল হিসেবে নিজেকে পরিবেশন করে থাকে। কারণ একজন সফল উদ্যোক্তা যখন তার ব্যবসায় সফলতা খুঁজে পাবে তখন একাধিক সফল ব্যবসায়ীদের সাথে তার পরিচয় হবে। এবং সেই ব্যবসায়িকদের মধ্যে যে পরিবেশ তৈরি হবে সেখানে নিজেই নিজেকে রোল মডেল হিসেবে প্রেজেন্ট করতে পারবে। সুতরাং একজন উদ্যোক্তায় পাড়ে ব্যবসায়িক পরিবেশে নিজেকে রোল মডেল হিসেবে পরিবেশন করতে।

১০. নেতৃত্ব দান করার সুবিধা

উদ্যোক্তা সব সময় নেতৃত্বদান করার সুবিধা পেয়ে থাকে। কারণ উদ্যোক্তা যেহেতু নিজেই নিজের বস এবং তার প্রতিষ্ঠানের সকল সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে সকলকে নেতৃত্বদান করার ক্ষমতা তার থাকে। এবং তার ব্যবসায় সফলতার জন্য কখন কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে সেই ক্ষমতা একজন উদ্যোক্তার মধ্যেই থাকে। কিন্তু যারা চাকরিজীবী রয়েছেন তারা নেতৃত্বদান করার সুবিধা হতে বঞ্চিত থাকেন। ফলে একজন উদ্যোক্তায় পাড়ে নেতৃত্বদান করার সুবিধা ভোগ করতে। 

১১. লক্ষ্য অর্জন এবং স্বপ্ন পূরণ করার সুবিধা

একজন ব্যক্তি যদি লক্ষ্য থাকে সেই একজন ব্যবসায়ী হবে এবং তার যদি স্বপ্ন থাকে পরিবার ও সমাজের কাছে একজন ব্যবসায়ী অর্থাৎ সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করা, তাহলে অবশ্যই একজন উদ্যোক্তার মধ্যে লক্ষ্য অর্জন করার দৃঢ় মনোবল রাখতে হবে। কারণ স্বপ্ন পূরণ করার জন্য অবশ্যই লক্ষ্য অর্জন করতে হবে এবং লক্ষ্য অর্জন করার জন্য নিজেকে পরিশ্রমী হয়ে উঠতে হবে। সুতরাং নিজের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য উদ্যোক্তা হিসেবে অবশ্যই লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

এছাড়া একজন উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে আরো একাধিক কারণ রয়েছে। তবে এ সকল কারণগুলো একজন উদ্যোক্তার মধ্যে অবশ্যই খুঁজে পাওয়া যায়।

FAQ

১. কেন আপনি উদ্যোক্তা হবেন?

উত্তরঃ যে সকল ব্যক্তিবর্গ একটি স্বাধীন পেশার নিজেকে নিয়োজিত করতে চায় এবং নিজের একটি পরিচয় তৈরি করতে চায় তাদের জন্য উদ্যোক্তা পেশাটি সঠিক। এবং আপনার মধ্যে যদি একজন উদ্যোক্তা হওয়ার সকল গুনাহগুলি থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি উদ্যোক্তা হবেন।

২. একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপনার মধ্যে কোন বিষয়টি রাখা উচিত?

উত্তরঃ একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আপনার মধ্যে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার ক্ষমতা এবং ঝুঁকি গ্রহণ করার ক্ষমতা থাকা উচিত।

৩. কিভাবে একজন উদ্যোক্তা দেশে উন্নয়ন করতে পারে?

উত্তরঃ একটি দেশের প্রধান সমস্যা হচ্ছে বেকারত্ব। তাই একজন উদ্যোক্তা হিসেবে এ দেশেরত্ব বেকারের হার কমানো সম্ভব এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব।

৪. চাকুরী ছেড়ে মানুষ কেন উদ্যোক্তা হতে চাইছে?

উত্তরঃ চাকুরি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অধীনস্থ হয়ে কাজ করতে হয় আর উদ্যোক্তা তার নিজ সুযোগ-সুবিধা অনুসারে কাজ করতে পারে এবং এখানে কোন অন্য কারোর অধীনস্থ হয়ে কাজ করতে হয় না। তাই চাকরি ছেড়ে মানুষ উদ্যোক্তা হতে চাইছে।

৫. উদ্যোক্তা কি অন্যদের কর্মসংস্থান এর সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে?

উত্তরঃ হ্যাঁ, একজন উদ্যোক্তা কিছু সংখ্যক ব্যক্তির কর্মসংস্থান তৈরি করে দিতে পারে।

শেষ কথা

উদ্যোক্তা হব, এ বিষয়টি অনেকেই ভাবতে পারে। কিন্তু যখন আপনি উদ্যোক্তা হওয়ার কারণগুলো খুঁজে পাবেন এবং সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পরিচয় সকলের সামনে তুলে ধরতে পারবেন তখনই আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা হবেন। তবে এর আগে আপনাকে জানতে হবে কেন আপনি উদ্যোক্তা হবেন? উদ্যোক্তা হওয়ার ১১ টি কারণ। এছাড়াও আরো অন্যান্য অনেকগুলো কারণ রয়েছে তবে আপনাকে এই টি বিষয় সম্পর্কে অবশ্যই অবগত হতে হবে। শুধুমাত্র সঠিক গাইডলাইন পাওয়ার মধ্য দিয়ে আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেন এবং দেশের বেকারত্ব দূর করতে সাহায্য করতে পারবেন। আপনি যদি উদ্যোক্তা সম্পর্কে আরো যে কোন বিষয় জানতে চান তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে পারেন। 


More Share, More Care!

Leave a Reply Cancel reply