Uddokta.com

উদ্যোগের আদ্যোপান্ত

কীভাবে আপনার উদ্যোগের নাম ঠিক করবেন? ব্যবসায়ের নাম নির্বাচন করার ১০টি কৌশল

More Share, More Care!

একজন উদ্যোক্তা যখন ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করে তখন ব্যবসায়ের নাম কি রাখা হবে এ বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কারণ ব্যবসায়ের নামের উপর নির্ভর করে ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ। একটি ব্যবসায়ের নাম যদি সঠিক এবং সহজ সাবলীল হয় তাহলে ওই ব্যবসায়ের প্রতি মানুষের বাহ্যিক পজেটিভ মনোভাব তৈরি হয়। তাই ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হয়। কিন্তু কি সেই কৌশল? আপনার অনলাইন অথবা অফলাইন যে কোন ব্যবসায়ীর নাম রাখার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং ব্যবসায়ীর নাম নির্বাচন করার কৌশল। অনলাইন বিজনেস পেজের নাম বের করার কৌশল গুলো জেনে রাখতে হবে।

বিজনেস এর এই নাম একদিন ব্র্যান্ড নেম হিসেবে সবার কাছে পরিচিতি লাভ পায়। তাই বিজনেস নাম নির্ধারণ করার সময় অবশ্যই সকল দিক বিবেচনা করে বিজনেস নাম সিলেক্ট করতে হয়। এছাড়া এখন যেহেতু অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে সেহেতু বিজনেস নাম সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে আরো সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। এমন একটি ইউনিক নাম খুঁজে বের করতে হয় যাতে করে সেই নাম অন্যান্য ব্যবসায়ের নামের সাথে মিলে না যায়। এছাড়াও  এই আর্টিকেল থেকে আপনি ডোমেইন নাম সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন। 

বিজনেস/ ব্যবসায়ের নামের গুরুত্ব 

নাম হচ্ছে যে কোন বিষয়ের একটি পরিচয়। ঠিক তেমনি আপনি যখন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করবেন এবং এর পরিচালনা করবেন অবশ্যই সেই প্রতিষ্ঠানের নাম রাখা জরুরী। যাতে করে আপনার সেই প্রতিষ্ঠানের নামই সকলের কাছে আপনার প্রতিষ্ঠান পরিচিতি পায়।  

যখন আপনার প্রতিষ্ঠান হতে গ্রাহকরা পণ্য বা সেবা গ্রহণ করবে তখন আপনার প্রতিষ্ঠানের পণ্য প্রশংসনীয় হলে সেই নামেই পরিচিত হয়ে উঠবে। আর যদি সেই প্রতিষ্ঠানের পণ্য প্রশংসনীয় না হয় তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের বদনাম হবে। তাই অবশ্যই প্রতিষ্ঠানে সঠিক পণ্য প্রদান করার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা অর্জন করা যায়। আর সেই প্রশংসা সকলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে প্রতিষ্ঠানের নামের পরিচিতি হয়ে

তবে বিজনেস নেম সিলেক্ট করার সময় অবশ্যই বিজনেস নেমের কৌশল গুলো জেনে নিতে হয়। কারণ সঠিক কৌশল অবলম্বন করার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার বিজনেসের একটি ইউনিক এবং সাবলীল নাম রাখতে পারবেন। যেহেতু এই নামের মাধ্যমেই আপনার ব্যবসায়ের পরিচিতি লাভ পাবে এবং ব্যবসায়ের সকল বিষয়ে এই নাম ব্যবহার করতে হয় সেহেতু অবশ্যই ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরী।

বিশেষ করে ব্যবসায়ের বিজনেস কার্ড, ফ্লায়ার, সাইনবোর্ড, ওয়েবসাইট, এবং বিজ্ঞাপনের নানা কাজে ব্যবসায়িক নাম ব্যবহার করতে হয়। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যবসায়িক নামের গুরুত্ব রয়েছে। এবং আপনার ব্যবসায়ের নাম যত সংক্ষিপ্ত হবে তত মানুষের কাছে পরিচিত লাভ পেতে সুবিধা হবে। তাই ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। সুতরাং একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার জন্য অবশ্যই ব্যবসায়ের নামের গুরুত্ব অপরিসীম। 

ব্যবসায়ের নাম নির্বাচন করার কৌশল

পূর্বেই আপনারা জেনেছেন ব্যবসায়িক নাম কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি যাতে আপনার ব্যবসায়ের নাম রাখার ক্ষেত্রে সঠিক কৌশল অবলম্বন করতে পারেন তার জন্য ব্যবসায়িক নাম নির্বাচন করার কৌশল জানিয়ে দিব। যাতে করে আপনারা এ সকল বিষয়গুলো মাথায় রেখে ব্যবসায়িক নাম নির্বাচন করতে পারেন এবং সেই নামে সুনাম অর্জন করতে পারেন।

১. নাম সংক্ষিপ্ত নাম 

বিজনেস নেম সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার বিজনেসের নামটি যাতে সংক্ষিপ্ত হয়। যে কোন বড় কোন নাম সিলেক্ট করা পরিহার করতে হবে। যাতে করে গ্রাহকরা খুব সহজেই এই নাম মনে রাখতে পারে। কেননা গ্রাহকদের সন্তুষ্টির ওপর আপনার ব্যবসায়ের সাফল্য নির্ভর করছে।

যদি আপনার বিজনেস অনলাইন ভিত্তিক হয় তাহলে অবশ্যই বিজনেস নাম সিলেক্ট করার জন্য সংক্ষিপ্ত নাম রাখা জরুরী। এবং আপনার বিজনেস যদি অফলাইন ভিত্তিক হয় তাহলেও নাম যতটা পারবেন সংক্ষিপ্ত রাখার চেষ্টা করবেন। যেহেতু সকল ব্যবসায়ীদের প্রধান লক্ষ্য থাকে তার ব্যবসায়িক নাম একসময় ব্রান্ড হিসেবে সকলের কাছে পরিচিতি পাবে সেহেতু নাম সংক্ষিপ্ত রাখা উচিত।

২. সামঞ্জস্যশীল পূর্ণ নাম 

ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে এই সামঞ্জস্যশীল পূর্ণ নাম রাখা। কারণ ব্যবসায়ী যে পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিবে সেই পণ্য সম্পর্কিত ব্যবসায়িক নাম রাখা উচিত। এতে করে ব্যবসায়িক নামের মধ্য দিয়ে জানা যায় ব্যবসায়ীটি কোন পণ্য নিয়ে কাজ করে।

সাধারণত একজন ব্যবসায়ী কখনো একাধিক পণ্য নিয়ে কাজ করতে পারেনা। প্রতিষ্ঠান ব্র্যান্ডে পরিণত করার জন্য অবশ্যই নির্দিষ্ট একটি পণ্য নিয়ে কাজ করা উচিত তাই সেই রিলেটেড নাম রাখা উচিত।

উদাহরণস্বরূপঃ বাটা শুধুমাত্র জুতা বিক্রি করে একটি ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি লাভ পেয়েছে। যদিও এখন বর্তমানে তাদের প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য পণ্য সংযুক্ত হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সকলের কাছে বাটা জুতা ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়ে আসছে।

তাই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নাম রাখার জন্য অবশ্যই সামঞ্জস্যশীল পূর্ণ নাম রাখতে হবে, যাতে করে এই নামটি সকলের কাছে ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি লাভ পায়।

৩. সহজ নাম ঠিক করুন

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে নাম সহজ রাখা উচিত। যাতে করে যে কোন বয়সের ব্যক্তিবর্গের মানুষ সহজে উচ্চারণ করতে পারে এবং মনে রাখতে পারে। অনেক সময় এমন কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের গ্রাহক সেবা অনেক ভালো হওয়ার শর্তেও প্রতিষ্ঠানের নাম বড় হওয়ায় তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম পরিচিতি লাভ পায় না। তাই আপনি যদি আপনার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সেবার মানের পাশাপাশি নামের গুরুত্ব দিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার ব্যবসায় পরিচিত।

ব্যবসায়িক নাম সহজ হওয়ার ফলে গ্রাহকদের মাঝে প্রতিষ্ঠানের একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয় এবং সহজেই সফলতা পাওয়া যায়।

৪. কপি হতে বিরত থাকুন

ব্যবসায়িক নাম সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে অবশ্যই এই দিকটি সবার আগে নজর রাখতে হবে। কারণ নিজের প্রতিষ্ঠানের নামের সাথে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের নাম কোনভাবেই রাখা যাবে না। এতে করে কপিরাইট ইস্যুতে প্রতিষ্ঠানের বদনাম হবে। এছাড়া আপনার প্রতিষ্ঠান কোনদিন ব্র্যান্ড নাম হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে পারবে না।

তাই ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে অবশ্যই সেই নামটি অন্য কেউ পূর্বে রেখেছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করে ব্যবসায়িক নাম রাখতে হবে। যাতে করে ব্যবসায় কোন ক্ষতি সাধন না হয় এবং সহজেই ব্যবসায়ের পরিচিতি লাভ করতে পারেন।

৫. ডোমেইন নেম যাচাই-বাছাই

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠা করার জন্য অবশ্যই একটি ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হয়। ওয়েবসাইটের নাম রাখার জন্য অবশ্যই ডোমের নাম যাচাই-বাছাই করে নিতে হবে। যাতে করে আপনার ব্যবহৃত ডোমের নাম পূর্বে কেউ ব্যবহার করেছে এমন নামের সাথে না মিলে যায়। তাই অবশ্যই ব্যবসায়িক নাম সিলেক্ট করার সময় ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে নিতে হবে।

তাছাড়া ডোমেইন নেম কখনো এক নামের সাথে অন্য নামের কোন মিল থাকে না। তাই আপনার নির্ধারিত নামের পূর্বে যদি আগে সেই নামটি রেখে দেয় তাহলে ওই নামটি কখনোই আপনি ব্যবহার করতে পারবেন না। ফলে আপনাকে অনুরূপ ডোমেইননাম সিলেক্ট করতে হবে।

৬. ইউনিক  এবং আকর্ষণীয় নাম

বিজনেসের নাম রাখার জন্য অবশ্যই সেই নাম ইউনিট এবং আকর্ষণীয় হতে হবে। আপনার বিজনেস এর নাম যদি ইউনিক হয় তাহলে আপনার বিজনেসের ফোকাস বৃদ্ধি পাবে। কারণ বর্তমান এই ক্রিয়েটিভ যুগে সকলেই ইউনিক কিছু এবং আকর্ষণীয় কিছু খুঁজে থাকে।

আর এই ইউনিক এবং আকর্ষণীয় বিষয়বস্তুগুলো মানুষের মনে রাখা সহজ হয়। তাই আপনি যদি আপনার ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে ইউনিক এবং আকর্ষণীয় বিষয়টির ওপর লক্ষ্য রাখেন তাহলে সহজেই আপনার ব্যবসায়িক নামের পরিচিতি লাভ পাবে। এবং ভবিষ্যতে এটি ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি দিতে পারবে।

৭. নামে কঠিন বানান না রাখা

ব্যবসায়ের নাম রাখার ক্ষেত্রে অবশ্যই সাবলীল কথাটি মনে রাখতে হবে। কারণ আপনার ব্যবসায়ের নাম যতটা সহজ সরল হবে ততটাই মনে রাখা সম্ভব হবে। ব্যবসায়িক নাম এমন ভাবে লিখতে হবে যাতে করে সেই বানান সকলের কাছে সহজ হয়। আপনার ব্যবসায়ের পরিচিতি যখন বৃদ্ধি পাবে তখন যাতে ক্রেতাদের কাছে আপনার ব্যবসায়ীর নাম লিখতে বিরক্ত না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাই ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে কঠিন বানান বর্জন করে সহজ সরল বানানের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৮. ট্রেডমার্ক বা কপিরাইট ধারক দিয়ে নিবন্ধিত নাম রাখা

ব্যবসায়িক নামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ট্রেডমার্ক বা কপিরাইট ধারক। কারণ আপনি যখন ব্যবসায়ের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবেন সেই ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি আইনগতভাবে স্বীকৃতি পাওয়া কিনা তা সবার আগে নজরে রাখতে হবে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যদি ট্রেডমার্ক করা থাকে অর্থাৎ ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স থাকে তাহলে সেই ব্যবসায়ের প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি অতি দ্রুত হয়ে থাকে। কারণ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানটি আইন অনুসারে পরীক্ষিত কিনা এটাই তার প্রমাণ। সুতরাং অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের নাম সিলেক্ট করার পর ট্রেডমার্ক বা কপিরাইট ধারক দ্বারা নিবন্ধিত করতে হবে।

৯. নামের অর্থ ভালভাবে জেনে নেয়া

Business নাম সিলেক্ট করতে অবশ্যই সেই নামের অর্থ সঠিক হতে হবে। এমন কোন নাম রাখা যাবে না যে নামের অর্থ নেতিবাচক প্রভাব আনে। তাই বিজনেসের নাম রাখার ক্ষেত্রে অবশ্যই অর্থবহুল সুন্দর নাম রাখতে হবে।

১০. ব্যবসায়ের নামটা ইংরেজিতে রাখা 

যেহেতু ইংরেজি একটি ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ সেহেতু ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে ইংরেজি নামের প্রাধান্য দেয়া উচিত। প্রত্যেক ব্যবসায়ের প্রধান লক্ষ্য থাকে তার ব্যবসায় একসময় ব্রান্ড হিসেবে পরিচিত লাভ করবে। আর যখন কোন ব্যবসায় ব্র্যান্ড হিসেবে কাজ করে তখন দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, সেই ব্যবসায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃতি পেয়ে যায়। তাই ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে লক্ষ্য অর্জনের জন্য অবশ্যই ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত।

ডোমেইন নেম যাচাই করার উপায়

ব্যবসায়ের ওয়েবসাইট তৈরি করার সময় অবশ্যই ডোমেইন নেম যাচাই করে নেয়া উচিত। কারণ আপনার ধারনকৃতির নাম যে কোন কোম্পানির সাথে মিলে যেতেই পারে তাই অবশ্যই ডোমেন হোস্টিং কোম্পানির ওয়েবসাইট করতে হয়। সেক্ষেত্রে ডোমেন হোস্টিং কোম্পানির ওয়েবসাইট গুলোতে সার্চ করলে কোম্পানির নাম লিখে দিলেই বের হয়ে যায়। যদি আপনার বাছাইকৃত নামটি খালি থাকে তাহলে সেটি গ্রহণ করতে পারেন আর যদি বাছাইকৃত নামটি খালি না থাকে তাহলে অবশ্যই বর্জন করতে হবে। সুতরাং এভাবেই ডোমেইন নেম যাচাই করতে পারেন খুব সহজ উপায়ে। 

FAQ

১. ব্যবসায়ীর জন্য ব্যবসায়িক নাম কেন জরুরী?

উত্তরঃ একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি লাভের জন্য অবশ্যই একটি সুন্দর এবং সাবলীল ব্যবসায়িক নামের প্রয়োজন।

২. অনলাইন বিজনেস পেজের নাম কেন ইউনিক হতে হয়?

উত্তরঃ অনলাইন হচ্ছে একটি ক্রিয়েটিভ প্লাটফর্ম। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই অনলাইন বিজনেস পেজের জন্য একটি ইউনিক নাম সিলেক্ট করতে হয়।

৩. ব্যবসায়িক নাম নিবন্ধন করতে হয় কেন?

উত্তরঃ আইনগত স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য অবশ্যই ব্যবসায়িক নাম নিবন্ধন করতে হয়।

৪. ডোমেইন নেম কি?

উত্তরঃ যে সকল ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অনলাইন ভিত্তিক হয়ে থাকে সেই সকল ব্যবসায়ের প্রতিষ্ঠানের অবশ্যই ডোমেইন নেম সিলেক্ট করতে হয়। বিজনেস যখন ওয়েবসাইট ভিত্তিক হয়ে যায় তখন কম্পিউটারের ওয়েব সার্ভারে সংযোগ স্থাপন করার জন্য ডোমেইন নেম সহযোগিতা করে থাকে।

৫. অনলাইন বিজনেস পেইজের নাম রাখার ক্ষেত্রে কি নাম্বার ইউজ করা যায়? 

উত্তরঃ অনলাইন বিজনেস পেইজের নাম রাখার ক্ষেত্রে অবশ্যই নাম্বার ইউজ করা যাবে।

 

শেষ কথা

সকল নতুন উদ্যোক্তারা এখন ব্যবসায় নাম সিলেক্ট করার সময় অবশ্যই উপকৃত হবেন। কারণ একজন উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যবসায়িক নাম রাখার ক্ষেত্রে যেহেতু সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় সেহেতু ব্যবসায়ীর নাম নির্বাচন করার কৌশল। অনলাইন বিজনেস পেজের নাম বের করার কৌশল গুলো সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরী। একটি সঠিক নাম এবং আপনার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সঠিক সিদ্ধান্তই পারে আপনার বিজনেস কে ব্র্যান্ডে পরিণত করতে। বর্তমান সময়ে পৃথিবীতে প্রচুর ব্র্যান্ড রয়েছে আর এই ব্র্যান্ড কোম্পানিগুলো তৈরি হওয়ার পেছনে অবশ্যই সুন্দর ইতিহাস রয়েছে। 

এছাড়া একটু লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে সকল নাম গুলো ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে সেই সকল নাম গুলো ইউনিক এবং স্মার্ট হয়। তাই বিজনেস এর নাম রাখার ক্ষেত্রে অবশ্যই কৌশল গুলো জেনে নিন নাম রাখতে হয়। আপনি যদি বিজনেস অথবা এন্টারপ্রেনিয়ার শিব সম্পর্কে যেকোনো তথ্য জানতে চান তাহলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।


More Share, More Care!

Leave a Reply Cancel reply