Uddokta.com

উদ্যোগের আদ্যোপান্ত

২০০০০ টাকায় ১০ টি অব্যর্থ অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

More Share, More Care!

বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের যুগে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। মূলত যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য উদ্যোক্তারা অনলাইনে ব্যবসায় সংগঠন তৈরি করছে। অনলাইন বিজনেস তৈরি করার মধ্যে দিয়ে নিজেকে সবসময় আপডেট রাখা সম্ভব এবং ব্যবসায়ে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যারা অনলাইনে অল্প পুজিতে ব্যবসা করার কথা ঠিক ভাবতে পারেন না। অনলাইন মানে অনেক টাকা এমন কিছু ভেবে থাকেন। তাই  ২০০০০ টাকায় ১০ টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে আপনাদেরকে জানানো হবে।

যাতে করে যে সকল ব্যক্তিরা অনলাইনে বিজনেস করতে চাচ্ছেন তারা খুব সহজে বিজনেস আইডিয়া নিতে পারেন এবং সেই সাথে ব্যবসায়ের ধরন বুঝতে পারেন। অবিশ্বাস্য হলেও একটি কথা সত্য যে অফলাইনে উদ্যোক্তা হওয়ার থেকে অনলাইনে উদ্যোক্তা হওয়া তুলনামূলক সহজ এবং কম ব্যয়বহুল। তাই আপনার কাছে মাত্র ২০ হাজার টাকা থাকলে অথবা এরকম থাকলেও আপনি অনলাইনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন-

২০০০০ টাকায় ১০ টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

প্রযুক্তি উন্নয়নের সাথে সাথে মানুষ অনলাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হচ্ছে এবং অনলাইন ব্যবসায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু আপনি বুঝতে পারছেন না যে অনলাইনে এমন কি কি ব্যবসায়ের সংগঠন করা যায় যার মাধ্যমে সফলতা পাওয়া সম্ভব। এবং এমন অনেক মানুষের ধারণা রয়েছে অনলাইন বিজনেস মানে অনেক টাকা মূলধন প্রয়োজন হয় এমন কিছু। কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। আপনার হাতে যদি একটি মোবাইল ফোন থাকে অথবা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থাকে এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকে তাহলে খুব সহজেই আপনি সফলতার সাথে বিজনেস করতে পারেন। আপনাদের সুবিধার্থে কিছু অব্যর্থ অনলাইন বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে আলোচনা করছি। 

১. অনলাইনের মাধ্যমে কাপড় বিক্রয় করা এবং অন্যান্য দ্রব্য বিক্রয় করা/ অনলাইন রিসেলিং

ফেসবুক অথবা যে কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রবেশ করলে আমরা অনলাইনে বিভিন্ন পণ্যের বিক্রয়ের বিজ্ঞপ্তি দেখতে পাই। এগুলো হচ্ছে মূলত অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন দেয়া এবং এর মাধ্যমে দ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করা। অনেকে আবার কোন কোম্পানির সাথে যুক্ত হয়ে রিসেলিং এর কাজ করে থাকেন। রিসেলার হিসেবে নিজের একটি ব্যবসা সম্বোধন তৈরি করার জন্য তেমন ক্যাপিটেল এর প্রয়োজন হয় না। সামান্য কিছু অর্থাৎ স্বল্প পুঁজিতে অনলাইনে রিসেলিং বিজনেস শুরু করা অনেক সহজ এবং সহজেই লাভবান হওয়া যায়।

মূলধনঃ অনলাইনে রিসেলার হিসেবে কাজ করি আপনি সহজেই একটি অনলাইন বিজনেস তৈরি করে নিতে পারেন। যে সকল কোম্পানির গুলো হতে আপনি প্রোডাক্ট পুনরায় বিক্রি করার অনুমতি পাবেন সে সকল কোম্পানিগুলোর সাথে যোগাযোগ করে ২০,০০০ টাকা অথবা এর কম অর্থাৎ আপনার সাধ্যের মধ্যে মূলধন দিয়ে অনলাইন রিসেলিং বিজনেস স্টার্ট করতে পারেন।

২. অনলাইন ফুড ডেলিভারি

আপনি যদি রান্না করতে ভালোবাসেন অথবা আপনার মধ্যে যদি ফুডসম্পর্কে ভালো আইডিয়া থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনি হোমমেড ফুড তৈরি করে অনলাইনে ফুড ডেলিভারি কাজ করতে পারেন এবং সেই সাথে অনলাইনে ফুড বিক্রয় করতে পারেন। বিভিন্ন বেকারির ফোন খাবার অর্থাৎ কেক, পেস্ট্রি, স্ন্যাকস, সি ফুড, থাই ফুড, ইটালিয়ান ফুড, ইন্ডিয়ান ফুড, ট্রেডিশনাল ফুড তৈরি করে অনলাইনবিজনেস তৈরি করা খুব সহজ। আর এই বিজনেস শুরু করতে মাত্র কয়েক হাজার টাকা প্রয়োজন হয়। বর্তমান সময়ে অব্যর্থ বিজনেস আইডিয়া মধ্যে এটি অন্যতম একটি বিজনেস আইডিয়া।

মূলধনঃ অনলাইন ফুড ডেলিভারি দেয়ার জন্য আপনার ব্যবহৃত স্মার্টফোন এবং বাহু হিসেবে একটি সাইকেল ক্রয় করে আপনি অনলাইন ফুড ডেলিভারি দিতে পারেন। এছাড়া আপনি যদি নিজেই খাবার তৈরি করিস সেল করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনি খাবার তৈরির কাঁচামাল ক্রয় করে নিতে পারেন। আর এই বিজনেসটি তৈরি করার জন্য ২০,০০০ টাকা যথেষ্ট।

৩. ইউটিউবিং করার

ডিজিটাল প্লাটফর্মের অন্যতম একটি প্লাটফর্ম হচ্ছে ইউটিউব। আপনি যেকোন নিস অর্থাৎ টপিকের ওপর youtube এর ভিডিও তৈরি করে নিজেই একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারেন। এবং নিয়মিত সেই চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করার মাধ্যমে আপনি সহজেই আয় করতে পারেন। বর্তমান সময়ে ইউটিউবে চাহিদা অনেক বেশি এবং অনেক তরুণ তরুণী নিজের ব্যবসা সংগঠন তৈরি করার জন্য ইউটিউব শুরু করছে।

মূলধনঃ আপনার সাথের মধ্যে একটি ভালো ক্যামেরার মোবাইল ফোন ক্রয় করে ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে ভিডিও শেয়ার করতে পারেন এবং সেই ভিডিও থেকে আয় করতে পারেন।

৪. অনলাইনে শিক্ষকতা

বর্তমান সময়ে এখন আর বাসায় গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষককে পড়ানোর অনেকাংশে কমে গিয়েছে। কারণ দেশের সকল কার্যক্রম যেহেতু ডিজিটালভাবে সম্পন্ন হচ্ছে সেহেতু অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষকরা তাদের ছাত্রছাত্রীদের সাথে যোগাযোগ করছে এবং জ্ঞানদানে সহায়তা করছে। আর যাদের মধ্যে শিক্ষকতা করার প্রবণতা রয়েছে তারা এখন বর্তমানে ঘরে বসে খুব সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের কে পড়াতে পারবে। আর অনলাইনে শিক্ষকতা করার জন্য প্রয়োজন নিজের দক্ষতা, আগ্রহ এবং ফেসবুক পেজ। আপনি মূলত অনলাইনে ফেসবুক পেইজে আপনার মার্কেটিং করার মাধ্যমে অবশ্যই খুব সহজে অনলাইনে শিক্ষকতা করা যেতে পারে। 

মূলধনঃ  অনলাইনে শিক্ষকতা হচ্ছে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে দারুন একটি বিজনেস আইডিয়া। যেখানে আপনি ভিডিও কলের মাধ্যমে বাসায় বসে অনলাইনে শিক্ষকতা করতে পারবেন এবং সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এই ব্যবসায় করার জন্য আপনার শুধুমাত্র একটি স্মার্ট ফোন হলেই চলবে।

৫. ফ্রিল্যান্সিং করা

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে বর্তমান যুবসমাজের অন্যতম একটি প্রিয় পেশা। যে পেশাতে কোনরকম বাধা ধরা নিয়ম নেই। যে কোন বিষয়ের উপর স্কিল ডেভেলপ করার মাধ্যমে সার্ভিস প্রোভাইড করাই হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং শুধুমাত্র দেশের আয়ত্তে কাজ করতে হবে এমন বিষয় নয় সমগ্র বিশ্বের যে কোন ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করা যাবে। এজন্যই ফ্রিল্যান্সিং কে মুক্ত পেশা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। আপনিও চাইলে আপনার ডিজিটাল ডিভাইস গুলো সাধ্যের মধ্যে ক্রয় করে এবং দক্ষতা অর্জন করে খুব সহজেই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।

মূলধনঃ ২০ হাজার টাকার মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং এর উপর দক্ষতা অর্জন করে অবশ্যই আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন এবং সেখান থেকে আয় করতে পারেন।

৬. গ্রাফিক্স ডিজাইনার

আমরা যেখানেই তাকাই কোন না কোন ডিজাইন দেখতে পাই। আর এই ডিজাইনগুলো প্রফেশনালি তৈরি করে থাকে গ্রাফিক ডিজাইনার। গ্রাফিক ডিজাইনের ওপর দক্ষতা অর্জন করে খুব সহজেই একটি গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়া সম্ভব এবং এই সম্পর্কিত কাজ করার মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনের ওপর আইটি ফার্ম এর বিজনেস তৈরি করা সহজ।

মূলধনঃ ২০,০০০ টাকার মধ্যে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ শিখে আয় করতে পারেন অথবা আপনি যদি পূর্বে থেকে গ্রাফিক্সের কাজ জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি একটি গ্রাফিক্সের কাজ রিলেটেড দোকান দিয়ে মনে অর্জন করতে পারেন।

৭. ওয়েব ডেভেলপার

প্রযুক্তি ব্যবহার এবং প্রযুক্তির যতই আপডেট হচ্ছে ততই ওয়েব ডেভলপারদের চাহিদা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ ক্ষুদ্র থেকে বৃহত্তর সকল ব্যবসায় এখন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরিচালনা করা হচ্ছে। তাই আপনি ওয়েব ডেভেলপার হতে চাইলে খুব সহজেই এর ওপর দক্ষতা অর্জন করতে পারেন এবং সেইসাথে যে কোন কোম্পানি ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে পারেন। এভাবে ওয়েব ডেভেলপার হয়ে খুব সহজেই ওয়েব ডেভলপারের একটি ফার্ম তৈরি করে নিতে পারেন। 

মূলধনঃ ওয়েব ডিজাইনের কাজ জানা থাকলে ঘরে বসেই আপনি আপনার ব্যবহৃত কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে খুব সহজেই ওয়েব ডেভলপারের কাজ করে আয় করতে পারেন।

৮. অনলাইনে বই বিক্রি করা/ অনলাইন বুক কিপিং

প্রতিটি মানুষ বই পড়তে ভালোবাসে। একেক জন ব্যক্তি একেক রকম বই পড়তে ভালোবাসে এবং এই সকল বইগুলো সংগ্রহ করতে পছন্দ করে। তাই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আপনি চাইলে অনলাইনে বই বিক্রি করতে পারেন। এবং গ্রাহকদের প্রিয় বইগুলো গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। চাইলে আপনি নিজেই বই সংস্করণ করে অনলাইন বুকিং করতে পারেন। আর এই বিজনেস শুরু করার জন্য সামান্য মূলধন হলেই হয়।

মূলধনঃ  আপনি যদি বই লিখতে ভালোবাসেন তাহলে বই লিখে অথবা অনলাইনে বই বিক্রি করে আয় করতে পারেন। আর অনলাইন বুক সিলিং/ অনলাইন বুক কিপিং ব্যবসা সংগঠন তৈরি করার জন্য  ২০ হাজার টাকা অথবা এরকম হলেও হয়।

৯. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করা

ডিজিটাল প্লাটফর্মে সোশ্যাল মিডিয়া অতপ্রতভাবে জড়িয়ে আছে। দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল কাজ যেন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সংগঠন হয়ে থাকে। কোন প্রতিষ্ঠানের সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করার জন্য অভিজ্ঞ ব্যক্তির প্রয়োজন হয়। আপনি চাইলে সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর দক্ষতা অর্জন করে সহজেই সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করার পেশায় নিয়োজিত হতে পারেন। স্বল্প পুঁজিতে সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট বিজনেস তৈরি করতে পারেন।

মূলধনঃ ২০ হাজার টাকার মধ্যে একটি স্মার্ট ফোন ক্রয় করে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করার কাজ করতে পারেন এবং মুনাফা অর্জন করতে পারেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ফেসবুক অনলাইন বিজনেস এর পেজ ম্যানেজমেন্ট করার কাজ করে আয় করা সম্ভব।

১০. অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসায়

এমন অনেক মানুষ হয়েছেন তাদের অন্যতম একটি হবে হচ্ছে ট্রাভেল করা। বিভিন্ন সময়ে তাদের পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলো ভ্রমণ করতে যায়। আর এই সকল ধানগুলো ভ্রমণ করার জন্য অবশ্যই একজন ট্যুর গাইড এর প্রয়োজন হয়। যারা আপনাকে ওই স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারবে এবং আপনার সকল সুযোগ সুবিধা ব্যবস্থা করে দিবে। আর এই সকল সার্ভিস দেয়ার জন্য বর্তমানে অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্সি তৈরি করে ট্রাভেল এজেন্সির বিজনেস শুরু করতে পারেন। স্বল্প পুঁজিতে আপনি খুব সহজেই ট্রাভেল এজেন্সি বিজনেস শুরু করতে পারবেন। 

মূলধনঃ অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্সি কাজ করা অনেক সহজ। সামান্য কিছু মূলধন থাকলে আপনি এই বিজনেস তৈরি করতে পারবেন এবং মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। 

FAQ

১. কিভাবে আপনি নিজ বাড়ি থেকে ছোট ব্যবসায় শুরু করবেন?

উত্তরঃ স্বল্পপুরীতে ব্যবসায় করার জন্য প্রথম অবস্থায় অবশ্যই নিজ বাড়ি হতে বিজনেস শুরু করা বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ আপনি যদি বিজনেসের জন্য অফিস ভাড়া করেন তাহলে আপনার পরিমাণ বেশি লাগবে। তাই স্বল্প মূলধনে আপনি নিজ বাড়ি হতে যে কোন ছোট ব্যবসায় শুরু করতে পারেন।

২. বর্তমান সময়ে অনলাইনে ব্যবসায় কেমন চলছে?

উত্তরঃ বর্তমান সময়ে অনলাইন এর ব্যবসায় দ্রুতগতিতে সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

৩. দেশকে বেকার মুক্ত করার জন্য কি করা উচিত?

উত্তরঃ আপনার কাছে যদি ক্ষুদ্র মূলধন থাকে তাহলে অবশ্যই দেশকে বেকারত্বের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য সেই পুঁজি ব্যবহার করে ব্যবসা গঠন করা উচিত।

শেষ কথা

 বর্তমান সময়ে চাকুরী পাওয়াটা অনেক কঠিন একটি বিষয় হিসেবে সমাজে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তাই এই কঠিন বিষয় কে উত্তরণ করে আপনি নিজেই একটি ব্যবসা সংগঠন তৈরি করে নিতে পারেন। এছাড়া বর্তমানে অনলাইন ব্যবসায়ের কোন তুলনা হয় না।  আপনার কাছে থাকা সামান্য মূলধন দিয়ে আপনি অনলাইনে বিজনেস ক্রিয়েট করতে পারেন। ২০০০০ টাকায় ১০ টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি যাতে করে আপনারা এ ধরনের বিজনেস আইডিয়াগুলো জেনে নিতে পারেন। এছাড়া আপনারা এ ধরনের বিজনেসে কিরূপ মূলধন প্রয়োজন সে সম্পর্কেও এনে নিতে পেরেছেন। আপনি যদি যে কোন বিজনেস সম্পর্কে জানতে জানতে চান তাহলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ। 


More Share, More Care!

Leave a Reply Cancel reply