Uddokta.com

উদ্যোগের আদ্যোপান্ত

স্বল্প পুঁজিতে ১০ টি অফলাইন বিজনেস আইডিয়া

More Share, More Care!

বর্তমান সময়ে চাকুরীর বাজার এতটাই খারাপ যাচ্ছে যে মানুষ চাকুরীর জন্য হতাশ হয়ে যাচ্ছে। এই হতাশা দূর করার জন্য সহজেই সামান্য কিছু অর্থ কে মূলধন হিসেবে ব্যবহার করে খুব সহজেই ক্ষুদ্র ব্যবসায় গঠন করতে পারেন। প্রথম অবস্থায় যেহেতু উদ্যোক্তাদের ব্যবসায় সম্পর্কে কোন অভিজ্ঞতা থাকে না যেহেতু অল্প পুঁজিতেই দারুন কিছু ব্যবসায় গঠন করতে পারে। এতে করে মুনাফা অর্জনের পাশাপাশি অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব। তাই ২০০০০ টাকায় ১০ টি অফলাইন বিজনেস আইডিয়া আপনাদেরকে জানাবো।

যাতে করে আপনার কাছে অল্প টাকা থাকলেও খুব সহজেই সাহসিকতার সাথে এ ধরনের ব্যবসায় গঠন করতে পারেন। এবং দেশকে বেকারমুক্ত করতে পারেন। মাত্র ২০ হাজার টাকা পুঁজি দিয়ে আপনারা সহজেই লাভজনক অফলাইন ব্যবসায় গঠন করে নিতে পারেন। 

২০০০০ টাকায় ১০ টি অফলাইন বিজনেস আইডিয়া 

মাত্র ২০ হাজার টাকায় কোন ধরনের ব্যবসায়ী গঠন করা যায় এ বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই আপনারা ভাবছেন। হ্যাঁ, আপনার কাছে থাকা খুব সামান্য পুঁজি দিয়েই আপনি প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্রাকারে এক মালিকানা ব্যবসায় গঠন করতে পারেন। আর এই ধরনের ব্যবসায় গঠন করার জন্য বর্তমানে দুটি অসাধারণ ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও বা প্রাচীনকাল হতে মানুষ অফলাইনে ব্যবসায় গঠন করে মুনাফা অর্জন করে সফলতা পেয়েছি। 

কিন্তু বর্তমান সময়ে যেহেতু সকল কার্যক্রম ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয় সেহেতু অনলাইনের ব্যবহার অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পাশাপাশি অনলাইন ব্যবসায়ের সংখ্যা দিনের পর দিন উর্ধ্ব গতির দিকে যাচ্ছে। তবে অনলাইন বিজনেস তৈরি হলেও অফলাইন বিজনেসের চাহিদা  অনেক বেশি।  তাই অফলাইন এর মাধ্যমে যে সকল ব্যবসায় বিশ হাজার টাকার মধ্যে গঠন করা যায় বা এর কমবেশি পুঁজি ব্যবহার করে গঠন করা যায় সে সকল ব্যবসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

আপনি যদি একজন সফল ব্যবসায়ী হতে চান সে ক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায় সংগঠন তৈরি করে নিতে পারেন। কিন্তু আপনার যদি পুঁজি অর্থাৎ মূলধন কম থাকে তাহলে আপনি খুব সহজেই এমন কিছু ব্যবসায় সংগঠন করতে পারেন যে সকল ব্যবসাগুলোতে মূলধন কম প্রয়োজন হয়। তাই আপনাদের সামনে এমন কিছু বিজনেস আইডিয়া রয়েছে যা সহজেই স্বল্প মূলধনে শুরু করতে পারবেন।

১. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট/ ইভেন্ট প্ল্যানিং

ছোট আকারের ব্যবসায় গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ব্যবসায় হচ্ছেইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট/ ইভেন্ট  প্ল্যানিং। কারণ বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বা আচার অনুষ্ঠানের যে সকল ইভেন্টগুলো হয়ে থাকে সেগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য একটি টিমের ওপর সেই কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়। আর এই ইভেন্টগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলো। বর্তমান সময়ে প্রচলিত একটি ব্যবসায়ের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবসা হচ্ছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা ইভেন্ট প্ল্যানিং ব্যবসা। স্বল্প পুঁজিতে এই ব্যবসায় খুব সহজেই গঠন করা যায়। তবে এই ব্যবসায় পরিচালনা করার জন্য অবশ্যই সৃজনশীলতা কাজে লাগাতে হয়।

মূলধন: ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বিজনেস এর জন্য খুব সামান্য মূলধনের প্রয়োজন হয়। আপনারা চাইলে ২০০০০ টাকা অথবা এরকম টাকা মূলধন হিসেবে ব্যবহার করে ইভেন ম্যানেজমেন্ট বিজনেস করে ক্রিয়েট করে মুনা অর্জন করতে পারেন।

২. হোমমেড প্রোডাক্ট সেলিং/ ক্রাফটিং 

বর্তমানে ফেসবুকে টাইমলাইনে প্রবেশ করলেই দেখা যায় বিভিন্ন ব্যবসায়ের প্রতিষ্ঠানের অ্যাড। মানুষ বরাবরই হোমমেড প্রোডাক্ট এর ওপর বিশ্বাস বেশি করে থাকে এবং এ ধরনের প্রোডাক্ট এর চাহিদা সব সময় বিদ্যমান থাকে। তাই খুব সহজেই হোমমেড প্রোডাক্ট তৈরি করে বা ক্রাফটিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে সে সকল পণ্য নিয়ে ব্যবসা সংগঠন করা যায়। আর ক্রাফটিং ব্যবসায়ের মূলধন কম প্রয়োজন হয় বলে এ ব্যবসা খুব সহজেই তৈরি করা যায়। বর্তমান সময়ে অন্যতম ব্যবসায় সফল একটি ব্যবসা হচ্ছে হোমমেড প্রোডাক্ট সেল করা বা ক্রাফটিং প্রোডাক্ট সেল করা।

মূলধন: হোমমেড প্রোডাক্ট তৈরি করার জন্য অথবা ক্রাফটিং করার জন্য তেমন তেমন মূলধনের প্রয়োজন হয় না। খুব সামান্য মূলধন দিয়ে আপনারা ব্যবসায় সংগঠন তৈরি করে নিতে পারেন।

 ৩. প্রফেশনাল অর্গানাইজিং

আপনি যদি যেকোনো কিছু সুন্দর করে অর্গানাইজেশন করা পছন্দ করেন তাহলে অবশ্যই আপনি প্রফেশনাল অর্গানাইজিং ব্যবসায়ী শুরু করতে পারেন। বড় বড় কোম্পানিগুলোর এমন অনেক কাজ থাকে যেগুলো সঠিকভাবে অর্গানাইজেশন না করার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে। তাই আপনি যদি সে সকল কোম্পানিগুলো যে সকল দিকগুলো সঠিকভাবে অর্গানাইজ করা আপনি সে সকল দিকগুলো অর্গানাইজ করার দায়িত্ব পালন করতে পারেন। মূলত এই ধরনের সংগঠনগুলো ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুসারে কাজ করে থাকে। তাই ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুসারী একটি পোর্টফোলিও তৈরি করে ক্লাইন্টের কাছে প্রদর্শন করতে পারেন এবং সে অনুসারে একজন প্রফেশনাল অর্গানাইজিং ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারেন।

মূলধন: প্রফেশনাল অর্গানাইজিং করার জন্য আপনারা প্রথম অবস্থায় কোন মূলধন ছাড়াই ব্যবসায় সংগঠন শুরু করতে পারেন। তবে আপনি যদি সামান্য কিছু মূলধন ব্যবহার করেন সে ক্ষেত্রে আপনাদের প্রফেশনাল ভাবে কাজটি শুরু করা সম্ভব এবং ব্যবসায় অগ্রগতি করা সম্ভব।

 ৪. ফটোগ্রাফি

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে প্রচলিত একটি এবং অন্যতম জনপ্রিয় একটি পেশা হচ্ছে ফটোগ্রাফি। খুব সহজেই একটি মোবাইল ফোন ব্যবহারের মাধ্যমে অথবা একটি ক্যামেরার ব্যবহারের মাধ্যমে ছবি তুলে সেই ছবিগুলো পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন এক্সিবিশন অথবা বিভিন্ন প্রয়োজন এ বিক্রি করে আয় করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন ইভেন্টে ফটোগ্রাফারদের হায়ার করা হয়। সুতরাং নিজের অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগিয়ে অল্প পুজিতে ফটোগ্রাফার ব্যবসায় শুরু করতে পারেন। এবং এই ব্যবসায়ের চাহিদা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ প্রত্যেক ব্যক্তি চায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোকে অ্যালবামে বন্দী করতে। তাই বিশেষ দিনগুলোর বিশেষ মুহূর্তগুলো স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখার জন্য প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারের বিকল্প নেই।

মূলধন: ফটোগ্রাফার হিসেবে ক্যারিয়ার তৈরি করার জন্য অথবা ফটোগ্রাফারের বিজনেস দেয়ার জন্য আপনাদের ভালো মানের ক্যামেরা স্মার্টফোন অথবা একটি ক্যামেরা ক্রয় করলেই হয়। কারণ যখন ফটোগ্রাফাররা কাজ করে তখন মূলত তাদের একটি ক্যামেরায় মূল মূলধন হিসেবে ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. হোম কেয়ার সার্ভিস

বর্তমান যুগে বাবা-মা দুজনেই চাকরিজীবী হওয়াতে তাদের সন্তান অথবা তাদের বাসায় বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখাশোনা করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। তাই তারা খুব সহজে হোম কেয়ারে তাদের বাবা-মা অথবা সন্তানকে রেখে নিশ্চিন্তে তারা কাজে গিয়ে থাকেন। আপনি যদি এ ধরনের হোম কেয়ার সার্ভিস এর ওপর মনোনিবেশ করতে চান অথবা আপনার এই বিষয়টি ভালো লাগে তাহলে আপনারা খুব সহজে অল্প পুজিতে এ ধরনের ব্যবহার সংগঠন তৈরি করে নিতে পারেন। এই ব্যবসায়ীটি একদিকে যেমন একটি ইউনিক ব্যবসায় এবং অন্যদিকে মানবতার অন্যতম দৃষ্টান্ত হিসেবে এ ধরনের সার্ভিসগুলো পরিচিতি লাভ করে থাকে।

মূলধন: হোম কেয়ার সার্ভিস বিজনেস তৈরি করার জন্য ২০ হাজার টাকা অথবা এর কম মূলধন হলেও শুরু করতে পারবেন। 

৬. রিয়েল এস্টেট

রিয়েল স্টেট বিজনেস এর চাহিদা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ মানুষ যত যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলবে ততই এ ধরনের ব্যবসায়ের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। প্রতিটি মানুষের একটি স্বপ্ন থাকে তা নিজের একটি বাড়ি হবে। আর সেই বাড়িটি তৈরি করতে চায় তার স্বপ্নে দেখা বাড়ির মত করে। তাই ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুসারে এবং ক্লায়েন্টের প্রয়োজন অনুসারে একজন রিয়েল এস্টেট প্লানার খুব সহজেই এ ধরনের রিয়েলি স্টেট এর কাজ করতে পারে এবং ব্যবসা সংগঠন তৈরি করে নিতে পারি।

মূলধন: রিয়েল এস্টেট বিজনেস করার জন্য আপনাদের তেমন কোন মূলধনের প্রয়োজন নেই। ক্লায়েন্টের সাথে মিটিং করার জন্য যেটুকু ব্যয় হয় অথবা আপনার ডিভাইস ব্যবহার করার জন্য যেটুকু ব্যয় হয় ঠিক সেইটুকুই আপনার ব্যবসায়ী মূলধন হিসেবে মূল ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই সহজেই ২০ হাজার টাকার মধ্যে রিয়েল এস্টেট বিজনেসশুরু করা সম্ভব।

৭. কনসাল্টিং

কনসাল্টিং বিষয়টি এই সময়ে সকল মানুষের কাছে একটু অন্যরকম হলেও এই বিষয়টি খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিভিন্ন প্রয়োজনে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পূর্বে অবশ্যই সে সম্পর্কে জেনে নেওয়ার প্রয়োজন হয় অথবা ওই বিষয়টি সম্পর্কে এমন ব্যক্তি জানেন তার সাথে যোগাযোগ করতে হয়। তাই আপনি যদি অনুভব করেন আপনি কোন বিশেষ সার্ভিসের মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচালনা করতে চান তাহলে অবশ্যই কনসাল্টিং ব্যবসায় সংগঠন আপনার জন্য উপযুক্ত। আপনার জ্ঞান এবং ধৈর্যকে কাজে লাগিয়ে স্পেসিফিক টপিকের উপর হিউম্যান রিসার্চ এবং লিডারশিপের যোগ্যতা অর্জন করে কনসার্টিং ব্যবসায় শুরু করতে পারেন।

মূলধন:বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি বিজনেস হচ্ছে কনসাল্টিং। এই বিজনেস শুরু করার জন্য আপনার ২০ হাজার টাকা চেয়েও কম মূল্যবান প্রয়োজন হয়। 

 ৮. ক্লিনিং সার্ভিস

স্বল্প পুঁজিতে দুর্দান্ত একটি ব্যবসায়িক আইডিয়া হচ্ছে ক্লিনিং সার্ভিস। কার ক্লিনিং, হাউস ক্লিনিং, অফিস ক্লিনিং, রেস্টুরেন্ট ক্লিনিং ইত্যাদি। এইরকম বিভিন্ন স্থান ক্লিন করার জন্য স্বল্প পুঁজিতে ক্লিনিং সার্ভিস শুরু করে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

মূলধন: ক্লিনিং সার্ভিস বিজনেস তৈরি করার জন্য ক্লিনিং করার জন্য যে সকল যন্ত্রপাতি অথবা আনুষাঙ্গিক জিনিসের প্রয়োজন হয় সে সকল জিনিস ক্রয় করলে আপনি খুব সহজেই এই বিজনেস শুরু করে দিতে পারেন। আর এই সকল জিনিসগুলো ক্রয় করার জন্য ২০ হাজার টাকার মূলধন যথেষ্ট।

৯. ফ্যাশন হাউজ

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ফ্যাশন হাউসের পরিমাণ দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি যদি ফ্যাশন সম্পর্কে ভালো আইডিয়া রাখেন এবং আপনার মধ্যে যদি ফ্যাশন সেন্স  ভালো থাকে তাহলে অবশ্যই ফ্যাশন হাউজ বিজনেস শুরু করে দিতে পারেন। এ ধরনের ব্যবসায়ের ক্ষতি অর্থাৎ ঝুঁকি কম থাকে। কারণ ফ্যাশন হাউজ গুলোর চাহিদা প্রতিনিয়ত বিদ্যমান থাকে। তাই প্রথমে ক্ষুদ্র আকারে ফ্যাশন হাউজ তৈরি করার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তাই আপনার মধ্যেই যদি শিল্প প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ গার্মেন্টস ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা করার কোন লক্ষ্য থাকে তাহলে অবশ্যই ফ্যাশন হাউজ তৈরি করার মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেন।

মূলধন: বর্তমান সময়ে ফ্যাশন হাউজের পরিমাণ যেহেতু বৃদ্ধি পাচ্ছে সেহেতু তরুণ তরুণীরা সামান্য পুঁজি দিয়েই ফ্যাশন হাউস বিজনেস শুরু করছে। আপনার কাছে যদি ২০০০০ টাকা থাকে তাহলে আপনি খুব সহজে একটি ফ্যাশন হাউজ বিজনেস তৈরি করে নিতে পারবেন।

১০. টি শার্ট প্রিন্টিং

প্রিন্টিং বিষয়টি বর্তমানে অনেক বেশি প্রচলিত হয়ে আসছে। কারণ বিভিন্ন পোশাক ডিজাইনে প্রিন্টিং ব্যাপারটি আজকাল বেশি দেখা যাচ্ছে।। এছাড়া টি শার্ট ডিজাইন এবং টি-শার্ট প্রিন্ট বিজনেস এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আপনি চাইলে খুব সহজেই স্বল্প পুঁজিতে অর্থাৎ স্মল ক্যাপিটেলে টি শার্ট প্রিন্টিংক বিজনেস শুরু করে দিতে পারেন। 

মূলধন: টি শার্ট প্রিন্টিং করার জন্য আপনাকে যে সকল টুল ব্যবহার করতে হয় এবং কালার ব্যবহার করতে হয় সেগুলো ক্রয় করার জন্য ২০ হাজার টাকা যথেষ্ট। তাই আপনি খুব সহজেই বিশ হাজার টাকার মধ্যে একটি সহজেই টি শার্ট প্রিন্টিং বিজনেস শুরু করতে।

FAQ

১. এক মালিকানা ব্যবসায় সংগঠন তৈরি করার জন্য বিশ হাজার টাকা মূলধন যথেষ্ট?

উত্তরঃ হ্যাঁ, আপনি যদি ২০ হাজার টাকার মধ্যে একটি  এক মালিকানা ব্যবসায় সংগঠন তৈরি করে নিতে পারেন।

২. আত্মকর্মসংস্থান নাকি চাকরি। কোনটি শ্রেয়?

উত্তরঃ আপনারা যারা অন্যের অধীনস্থ হয়ে কাজ করতে চান না সে ক্ষেত্রে তারা কর্মসংস্থান তৈরি করে নিতে পারেন এবং আপনার কাছে সামান্য মূলধন দিয়েই একটি এক মালিকানা ব্যবসায় সংগঠন তৈরি করার মধ্য দিয়ে আত্মকর্মসংস্থান সংগঠন করতে পারেন।

৩. বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ব্যবসায় সংগঠনের সংখ্যা বেশি কেন?

উত্তরঃ বাংলাদেশ যেহেতু একটি উন্নয়নশীল দেশ যেহেতু বাংলাদেশের মধ্যবিত্তের সংখ্যা বেশি এবং এর পাশাপাশি বেকারত্বের সংখ্যা বেশি। তাই নিজেকে বেকার মুক্ত করার জন্য সামান্য পুঁজি দিয়ে তরুণ তরুণীরা বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায় সংগঠন তৈরি করছে।

শেষ কথা

নিজেকে বেকার নামক অভিশাপ হতে মুক্ত করার জন্য অবশ্যই সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অল্প পুজিতে খুব সহজেই ব্যবসা গঠন করে নিতে পারেন। এতে করে বাজারে পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার দক্ষতা প্রয়োগ করার স্থান পাবেন। তাই আপনার কাছে থাকা পরীকে কাজে লাগিয়ে এখনই শুরু করে দিতে পারেন ব্যবসা।  এজন্য ২০০০০ টাকায় ১০ টি অফলাইন বিজনেস আইডিয়া  সম্পর্কে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি। আপনারা যদি এই ধরনের যে কোন ব্যবসায়ের আইডিয়া সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।


More Share, More Care!

Leave a Reply Cancel reply