Uddokta.com

উদ্যোগের আদ্যোপান্ত

ইলন মাস্কঃ একজন উদ্যোক্তার সাফল্যের রহস্য

More Share, More Care!

ইলন মাস্ক, বিশ্বের এক নম্বর ধনী ব্যক্তি কিন্তু এখানেই কি তার পরিচয় শেষ? না, তাকে বলা হয় একজন পাগলাটে উদ্যোক্তা। জীবনে তিনি যেমন বারবার সফলতা লাভ করেছেন তেমনি আছে তার অনেক ব্যর্থতার গল্প।  স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-১ রকেটের ব্যর্থতার পর প্রায় দেউলিয়া হয়ে পড়েন তিনি। কিন্তু মাস্ক অটল ছিলেন, তিনি পিছু হটেননি, আর তার এই হার না মানা মানসিকতার জন্য পৃথিবী এখন স্বপ্ন দেখছে মঙ্গলে পাড়ি দেবার। ১২ বছর বয়সে নিজের তৈরি গেম বিক্রি করে উদ্যোক্তা জীবনের শুরু, তারপর থেকে চমক দেখিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্বে। Zip2 দিয়ে জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করে X.com, পেপাল, সোলার সিটি, টেসলা, স্পেস এক্স, স্টার লিংক, হাইপার লুপ থেকে ভাইরাল চ্যাট জিপিটি এর শুরুর গল্পেও আছেন তিনি। তাহলে, মাস্কের সাফল্যের মন্ত্রটা কী? আজকের এই লেখায় আমরা, মাস্কের অসাধারণ সাফল্যের পেছনের গোপন রহস্য গুলো উন্মোচন করব। আশা করছি লেখাটি তরুণ উদ্যোক্তাদের সাফল্য অর্জনে অনেক সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের সাফল্যের রহস্য

সাফল্যের সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকম। কারো কাছে সাফল্য মানে টাকার পরিমাণ আবার কারো কাছে সাফল্য মানে স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার আনন্দ। মজার বিষয় হলো সাফল্যের সংজ্ঞা আপনার কাছে যাই হোক না কেন। ইলন মাস্কের জীবনের সাথে কোন রকম ভাবে মিলে যাবে। তাইতো তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছে ইলন মাস্ক এত জনপ্রিয়। চলুন, আর দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক সাফল্যের সুপ্ত রহস্যগুলো।

১. সময় ও সুযোগের সঠিক ব্যাবহার

২০০৮ সালে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মহা সংকটের পর ২০২০ সালে করোনার সময় বিশ্ব অর্থনীতি আরও একবার সংকটের মুখে পরে। সারা বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি গুলো যখন অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছিল, সেখানে ইলন মাস্ক ছিলেন ব্যতিক্রম। এক বছরে তিনি ১৫০ বিলিয়ন ডলার আয় করেন। এবং ২০২১ সালের জানুয়ারিতে প্রথমবারের মতো ধনীদের তালিকায় শীর্ষস্থান লাভ করেন। 

কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো ২০২০ সালে তার সম্পদের পরিমাণ ছিল মাত্র বিশ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ তিনি তখন ছিলেন বিশ্বের ৩৫ তম ধনী, কিন্তু এক বছরে স্রোতের প্রতিকূলে তিনি কোন জাদু বলে এক নম্বরে চলে আসেন? এর উত্তর একটাই; সময় ও সুযোগের সঠিক ব্যবহার। তাই তরুণ উদ্যোক্তাদের মাস্কের মত যেকোন কঠিন সময়কে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে তার সঠিক ব্যবহার করে, লাভবান হতে হবে।

২. বিদ্যমান সমস্যার সমাধান:

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিনি নতুন কোন প্রযুক্তির আবিষ্কার করতে যাননি। পৃথিবীতে বিদ্যমান সমস্যা গুলো কিভাবে আরও সঠিক ও সাশ্রয়ী উপায়ে সমাধান করা যায় তার চেষ্টা করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা দেখতে পাই:

SolarCity: সৌরশক্তিকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য মাস্ক SolarCity প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি পুরাতন প্রযুক্তির সৌর প্যানেলের দাম ও জটিলতা কমিয়ে গ্রিন এনার্জির বিপ্লব নিয়ে এসেছেন।

Hyperloop: এই দ্রুতগতির পরিবহন ব্যবস্থাটি বিমানের চেয়ে দ্রুত কিন্তু রেলগাড়ির চেয়েও সস্তা হবে। যদিও এটি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, কিন্তু এটি যে আমাদের প্রাচীন পরিবহন ব্যবস্থাকে আরেক মাত্রায় নিয়ে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তাইতো উদ্যোক্তা হলে যে সবসময় নতুন কোনো ব্যবস্থা বা আইডিয়া তৈরি করতে হবে, এমনটা নয়। আমাদের মাঝে বিদ্যমান সমস্যা গুলোর সহজ সমাধান করেও আমরা উদ্যোক্তা হতে পারি।

৩. অসম্ভবকে সম্ভব করার জিদ:

মহাকাশে মানুষ পাঠানো একটি খুবই ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ সিস্টেম। তাইতো চন্দ্র বিজয়ের পর থেকে ৫০ বছর পরেও কেউ আর পৃথিবীর সীমা ছাড়িয়ে যায়নি। সেখানে ইলন ঘোষণা দেয় মঙ্গল গ্রহে বসতি গড়বেন তিনি। খোদ অনেক বিজ্ঞানীর কাছেই এটি অসম্ভব মনে হয়েছিল। কিন্তু মাস্ক তার পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট বানিয়ে মঙ্গল বিজয়ের পথে একধাপ এগিয়ে গেছেন। 

তিনি তার জীবনের সমস্ত অর্থ বাজি রেখে স্পেস এক্স এর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে গেছেন। ঝুঁকিতে পড়েছিলেন দেউলিয়া হবার, কিন্তু কোন কিছুই দমিয়ে রাখতে পারেনি তার জিদকে। ফলাফল, নাসার মত বিখ্যাত মহাকাশ সংস্থাও এখন তার রকেটে করে স্যাটেলাইট প্রেরণ করেন।

৪. ব্যর্থতা থেকে শেখা:

তার জীবনে যেমন সাফল্যের গল্প আছে, তেমনি আছে ব্যর্থতার গল্প। কিন্তু তার গল্প অন্যদের থেকে আলাদা। যতবারই তিনি ব্যর্থ হয়েছেন ফিরেছেন ঠিক ততবারই। কোনভাবেই নিজের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে তিনি হাল ছেড়ে দেন না। ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বারবার তার ফ্যালকন রকেট ব্যর্থ হয়। কিন্তু তিনি দমে যাননি, প্রতিবারের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন, অবশেষে সাফল্য ধরা দেয়। 

৫. জহুরীর চোখ:

হীরা তৈরির জহুরীরা যেমন যে কোন হীরা দেখেই বুঝতে পারেন আসল নাকি নকল, ইলোন মাস্ক ও তেমন যেকোনো ব্যবসার সম্ভাবনা সহজে বুঝতে পারেন। যে টেসলা কোম্পানির শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে তিনি বিশ্বের এক নম্বর ধনী হয়ে যান, সেই টেসলার প্রতিষ্ঠাতা কিন্তু তিনি নন। ২০০৩ সালে মার্টিন ও মার্ক নামে দুই ব্যক্তি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। মার্কস বুঝতে পারেন আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ি পৃথিবীতে রাজ করবে। তাইতো তিনি ২০০৪ সালে ৩০ মিলিয়ন ডলারে  টেসলায় জয়েন করেন এবং বোর্ড অব ডিরেক্টর হন।

অর্থাৎ একজন উদ্যোক্তাকে বিচক্ষণ হতে হবে এবং পৃথিবী কোন দিকে যাচ্ছে সেটা বুঝতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে। সাফল্য ধরা দেবে নিশ্চিত।

৬.  মাস্কের ত্রিরত্ন

মাস্ক তার ইন্টারভিউতে বলেন তিনটি জিনিস তাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত বা সাফল্য অর্জনে সাহায্য করেছে। সেগুলি হল:

  • ইন্টারনেট
  • নবায়নযোগ্য শক্তি (রিনিউয়েবল এনার্জি) ও
  • স্পেস ট্রাভেল (দূরদর্শিতা)

অর্থাৎ প্রত্যেক উদ্যোক্তারই উচিত যত দ্রুত সম্ভব ইন্টারনেটের সাথে তাদের বিজনেস কে যুক্ত করা এবং ইন্টারনেটের সম্ভাবনা কে ব্যবহার করে সাফল্য অর্জন করা। 

৭.দক্ষতার উপর গুরুত্ব দেওয়া

মাস্ক সব সময় প্রথাগত শিক্ষা ব্যবস্থার বিরোধী। তাইতো তিনি তার কোম্পানিগুলোতে নিয়োগের সময় কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার উল্লেখ রাখে না। তিনি নিজেও ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ড্রপআউট। ভর্তির মাত্র দুদিন পরেই ইউনিভার্সিটি ছেড়ে ভাইকে নিয়ে তার প্রথম বিজনেস Zip2 শুরু করেন। তিনি শিক্ষার উপরে দক্ষতা কে গুরুত্ব দেন। তাইতো সম্প্রতি, একজন ১৪ বছরের বাঙালি বালককে তিনি তার স্পেস এক্স প্রোগ্রামে যুক্ত করেন। তিনি আসলে শিক্ষা বিরোধী নন কিন্তু তিনি কাজে বিশ্বাসী। তিনি বিশ্বাস করেন সাফল্য অর্জনের জন্য শিক্ষা পূর্বশত হতে পারে না এর পূর্বশর্ত হলো দক্ষতা ও বিচক্ষণতা।  

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ইলন মাস্কের শিক্ষা 

আগেই বলেছি, ইলন মাস্ক একজন ব্যতিক্রমী ধনী ব্যক্তি। তিনি প্রচুর পাবলিক ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিনিয়ত টুইটারে একটিভ থাকেন এবং প্রচুর পডকাস্ট ইন্টারভিউতে অংশ নেন। তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন জায়গায় দেওয়া বিভিন্ন সময়ে তার কিছু পরামর্শ এখানে দেওয়া হলো: 

  • প্রচুর প্রশ্ন করতে হবে এবং যেকোনো সমস্যার গভীরে ডুব দিতে হবে।
  • বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং অসম্ভবকে সম্ভব করার জন্য কাজ করতে হবে।
  • প্রতিনিয়ত শিখতে হবে এবং জ্ঞান অর্জনের কোনো কার্পণ্য করা যাবে না। শিক্ষা যে কেবল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসে তা না, জীবন থেকে শিখতে হবে।
  • ব্যর্থতা থেকে শিখতে হবে এবং একে সাফল্যের স্তম্ভে রূপান্তর করতে হবে।
  • দক্ষতার কদর করুন এবং বিশ্বস্ত মানুষদের বিজনেস পার্টনার বানান। 
  • চিন্তায় দূরদর্শী হতে হবে এবং ভবিষ্যত নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।
  • কোনোভাবেই নিজের প্রতি বিশ্বাস হারানো যাবে না। 
  • প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে, সাফল্য অর্জনের কোনো সহজ পথ নেই।

ইলন মাস্কের সংক্ষিপ্ত জীবনী 

১৯৭১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ইঞ্জিনিয়ার বাবা এরল এবং সুপার মডেল মায়ের গর্ভে ইলনের জন্ম। ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। ১২ বছর বয়সে নিজে নিজে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিখে একটি গেম তৈরি করেন এবং তা ৫০০ ডলারে বিক্রি করেন। 

১৭ বছর বয়সে তিনি কানাডায় পাড়ি জমান এবং কুইন্স ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন। কিন্তু দূরদর্শী ইলন মাস্ক, দ্রুত আমেরিকায় পাড়ি জমান এবং পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পদার্থ বিজ্ঞান ও অর্থনীতিতে ডিগ্রি লাভ করেন।

উচ্চতর ডিগ্রির জন্য স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। কিন্তু উদ্যোক্তা হওয়ার নেশায় ভর্তির মাত্র দুদিন পর ড্রপ আউট হয়ে সিলিকন ভ্যালিতে চলে যান। এবং ভাইকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন প্রথম কোম্পানি ZIP2। পরবর্তীতে এটিকে বিক্রি করে ১৯৯৯ সালে প্রথম বড় সাফল্য লাভ করেন X.com প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। পরবর্তীতে এটি পেপালের সাথে যুক্ত হয় এবং ২০০২ সালে eBay-র কাছে বিক্রি করে দেন। এখান থেকে প্রাপ্ত প্রচুর অর্থ দিয়ে তিনি ২০০২ সালে তার স্বপ্নের প্রজেক্ট স্পেস এক্স প্রতিষ্ঠা করেন ও ২০০৪ সালে টেসলা মোটরের সাথে যুক্ত হন। 

জীবনে তিনি অনেক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন- সোলার সিটি, হাইপার লুপ, স্টার লিংক। কিন্তু স্পেস এক্স-কে তিনি তার জীবনের সবটুকু দিয়ে উত্তরোত্তর উন্নতির শিখরে নিয়ে গেছেন। তার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে মঙ্গলে মানুষ পাঠানো ও ২০৫০ সালের মধ্যে মঙ্গলে বসতি স্থাপন করা। ২০২০ সালে প্রথম কোম্পানি হিসাবে এটি মহাকাশ পর্যটন শুরু করে। 

২০২৩ সালে পৃথিবীকে চমকে দিয়ে কিনে নেন টুইটারকে, যে টুইটার তার একাউন্ট ব্লক করে দিয়েছিল। এখানেই শেষ নয়, বর্তমানের জনপ্রিয় চ্যাট বট ChatGPT এর মূল কোম্পানি OpenAI এর সাথেও তিনি যুক্ত ছিলেন। তার আরেক দূরদর্শী প্রজেক্ট হল, মানুষের ব্রেইন কম্পিউটার নিজে কাজ করা নিউরোলিনক। 

একটা মানুষ পৃথিবীকে একাই এতোভাবে প্রভাবিত করতে পারেন যে ইলন মাস্কের জন্ম না হলে হয়তো জানা যেত না। তাই তার জীবনের প্রতিটা অধ্যায়ে উদ্যোক্তাদের জন্য শিক্ষা আছে। আশা করছি আজকের লেখাটি আপনাদের উপকারে আসবে।

ইলন মাস্ক সম্পর্কে ধারাবাহিক প্রশ্ন উত্তর – FAQ

ইলন মাস্কের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ কত?

সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারিতে প্রাপ্ত ডেটা অনুযায়ী: 

ফোর্বস ম্যাগাজিনের বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স অনুসারে, ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ২০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর ধনী ব্যক্তি। দ্বিতীয় হল আর্নল্ড পরিবার ও তিনে আছেন আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজস। 

ইলন মাস্ক কি টেসলার মালিক? 

হ্যাঁ, ইলন মাস্ক টেসলার মালিক এবং সিইও (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)। কিন্তু এই কোম্পানির কোন একক মালিকানা নেই, ইলন এই কোম্পানির সবচেয়ে বড় শেয়ার হোল্ডার, তার শেয়ারের পরিমাণ ১৩.৪%।

টেসলায় মাস্কের কর্মজীবন শুরু হয় ২০০৪ সালে যখন তিনি কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং প্রোডাক্ট আর্কিটেক্ট হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ইলন মাস্কের প্রথম কোম্পানি কোনটি? 

ইলন মাস্কের প্রথম কোম্পানি ছিল Zip2। তিনি 1995 সালে, তার ভাই Kimbal Musk এবং Greg Kouri-এর সাথে এই কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।  

ইলন মাস্ক কি পেপাল শুরু করেছিলেন? 

হ্যাঁ, ইলন মাস্ক পেপালের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ছিলেন। তিনি ১৯৯৯ সালে X.com নামে একটি অনলাইন পেমেন্ট কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০০০ সালে, X.com Confinity-এর সাথে একীভূত হয়ে PayPal তৈরি করে। 

ইলন মাস্ক টুইটারের কত শতাংশ মালিক? 

ইলন মাস্ক টুইটারের ৯.১ শতাংশ শেয়ারের মালিক। মাস্ক ২০২২ সালের জানুয়ারিতে টুইটারে শেয়ার কেনা শুরু করেন এবং একই বছরের এপ্রিল মাসে তার শেয়ারের মালিকানা ৯.১ শতাংশে ছাড়িয়ে যায়। এরপর তিনি টুইটারকে পুরোপুরি অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেন এবং জুলাই মাসে ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে কিনে নেন।

ইলন মাস্কের মঙ্গল গ্রহ নিয়ে পরিকল্পনা কি?

ইলন মাস্কের স্বপ্ন, পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে মঙ্গল গ্রহে উপনিবেশ স্থাপন। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি তার কোম্পানি SpaceX-এর মাধ্যমে “স্টারশিপ” নামক পুনঃব্যবহারযোগ্য একটি মহাকাশযান তৈরি করছেন। এটি একসাথে ১০০ জন মানুষ বহন করতে সক্ষম। আশা করা যায়, এই দশকেই মঙ্গলের বুকে মানুষের পদচিহ্ন একে দিবে স্পেস এক্স। 


More Share, More Care!

Leave a Reply Cancel reply